
শমূয়েলের প্রথম পুস্তক
ভূমিকা
বিচারকর্তৃগণ নামে বইটিতে লেখা শাসনকর্তাদের আমল থেকে দায়ূদের রাজবংশ পুরোপুরি ভাবে স্থাপিত হওয়ার মধ্যে ইতিহাসের যে ফাঁক রয়েছে তা প্রথম শমূয়েল ও দ্বিতীয় শমূয়েল নামে বই দু’টি পূর্ণ করেছে। এই দু’টি বই প্রথমে একটি বই ছিল। খ্রীষ্টপূর্ব বারো শতাব্দী থেকে দশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ইস্রায়েলীয়দের সংগে ঈশ্বরের ব্যবহারের কথা প্রথম ও দ্বিতীয় শমূয়েলে লেখা আছে। শমূয়েল (নবী ও বিচারক-শাসনকর্তা), শৌল (বাতিল করা রাজা) এবং দায়ূদ (রাখাল ও রাজা) ছিলেন এই বই দু’টির প্রধান চরিত্র এবং তাঁদের ঘিরেই ঘটনাগুলো পর পর সাজানো হয়েছে। ঈশ্বর শমূয়েলকে নিযুক্ত করেছিলেন যেন তিনি বিচারক শাসনকর্তাদের যুগ শেষ করতে এবং রাজাদের যুগ শুরু করতে পারেন। শমূয়েল ছিলেন শেষ বিচারক-শাসনকর্তা এবং ইস্রায়েল রাজ্য প্রতিষ্ঠার নতুন নবীদের মধ্যে যুগের প্রথম নবী। তিনিই ইস্রায়েলের প্রথম রাজাকে অভিষেক করেছিলেন। বই দু’টির প্রধান বিষয় হল ঈশ্বর (যিনি ইস্রায়েলীয়দের আসল রাজা) কেমন করে ইস্রায়েলীয়দের অনুরোধে রাজপদ প্রথমে শৌলকে ও পরে দায়ূদ আর তাঁর বংশধরদের হাতে দিয়েছিলেন।
বিষয়-সংক্ষেপ:
(ক) রাজপদে শৌলের অভিষেক পর্যন্ত শমূয়েলের কাজ (১-৯ অধ্যায়)
(খ) রাজপদ থেকে বাতিল না হওয়া পর্যন্ত শৌলের রাজত্ব (১০-১৫ অধ্যায়)
(গ) শৌলের মৃত্যু পর্যন্ত দায়ূদের জীবনের ঘটনা (১৬-৩০ অধ্যায়)
(ঘ) শৌলের মৃত্যু (৩১ অধ্যায়)