
নবী হবক্কূকের পুস্তক
ভূমিকা
হবক্কূক নামে বইটির ভাষা খুব সুন্দর। বিশেষভাবে এর তিন অধ্যায়ে ভাষার সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। অধ্যায়টি গীতসংহিতার কবিতাগুলোর মত উপাসনা-ঘরে উপাসনার সময় ব্যবহার করবার জন্য সেখানে যারা গান বাজনা করে তাদের হাতে দেওয়া হয়েছিল (৩:১৯ পদ)। বাবিলে বন্দী হয়ে যাবার আগে যিহূদা দেশে বাল দেবতা ও অষ্টারোত দেবীর পূজা খুব জনপ্রিয় ছিল। যিহূদার লোকেরা নীতিহীনতা ও অবিচারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিল। সেখানে ঈশ্বরভক্ত রাজা যোশিয়ের সময়ে যে ধর্মীয় উদ্দীপনা দেখা গিয়েছিল তার প্রায় কোন চিহ্নই ছিল না। নবী ভাবতেন ঈশ্বর এই রকম পাপকে শাস্তি না দিয়ে তা হতে দিচ্ছেন কেন। ঈশ্বরের উত্তর শুনে নবী মনে অশান্তি বোধ করতে লাগলেন। কেমন করে ঈশ্বর দুষ্ট বাবিলীয়দের ব্যবহার করে তাঁর নিজের লোকদের শাস্তি দিতে পারেন? উত্তরে ঈশ্বর বলেছিলেন যে, মন্দ নিজেই নিজেকে ধ্বংস করে, কিন্তু যাকে নির্দোষ বলে গ্রহণ করা হয়েছে সে তার বিশ্বস্ততার দরুন বেঁচে থাকবে (২:৪-২০)।
বিষয় সংক্ষেপ:
(ক) হবক্কূকের প্রশ্ন: কেন ঈশ্বর যিহূদাকে শাস্তি দিচ্ছেন না? (১:১-৪ পদ)
(খ) ঈশ্বরের উত্তর: তিনি যিহূদাকে শাস্তি দেবার জন্য বাবিলীয়দের ব্যবহার করবেন (১:৫-১১ পদ)
(গ) হবক্কূকের প্রশ্ন: যিহূদাকে শাস্তি দেবার জন্য কেন ঈশ্বর তাদের চেয়ে আরও দুষ্ট জাতিকে ব্যবহার করছেন? (১:১২-১৭ পদ)
(ঘ) ঈশ্বরের উত্তর: যিহূদার সৎ লোকেরা বেঁচে থাকবে, কিন্তু অসৎ বাবিলীয়েরা ধ্বংস হয়ে যাবে (২ অধ্যায়)
(ঙ) হবক্কূকের প্রার্থনা (৩ অধ্যায়)