Select Page

বাইবেল ( সহজ বাংলা )



নবী সখরিয়ের পুস্তক

ভূমিকা

পবিত্র নূতন নিয়মে প্রায় ৪০ বার সখরিয় নামে বইটি থেকে উদ্বৃতি দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হল, বইটিতে মশীহ সম্বন্ধে অনেক কিছু বলা হয়েছে এবং নবীদের লেখা ছোট বইগুলোর মধ্যে এই বইটি আরও বেশী খ্রীষ্টকে কেন্দ্র করে লেখা। সখরিয়ের চিহ্নরূপ দর্শন ও বিশেষ অর্থপূর্ণ সত্য প্রকাশ এই বইয়ের গুরুত্বকে বাড়িয়ে তুলেছে। একই বছরে সখরিয় ও হগয় তাঁদের কাজ আরম্ভ করেছিলেন। উপাসনা-ঘর আবার তৈরী করবার জন্য লোকদের উৎসাহ দিতে হগয়ের সংগে যোগ দেবার জন্য সখরিয় যিরূশালেমে ফিরে এসেছিলেন। সখরিয়ের আটটা দর্শনের মধ্যে ক্ষমতায় থাকা অযিহূদী দেশগুলোর পরাজয়, নিজের ধর্ম ত্যাগ করে যে যিহূদীরা মশীহকে অগ্রাহ্য করবে তাদের বিচার, বেঁচে থাকা যিহূদীদের পুনস্থাপন এবং ভবিষ্যতে যিরূশালেমের উন্নতির কথা বলা হয়েছে। প্রথম পাঁচটা দর্শনের মধ্যে আছে দয়ার সংবাদ এবং শেষ তিনটিতে আছে শাস্তির সংবাদ। এই বইয়ে মশীহের যিরূশালেমে প্রবেশের কথা (৯:৯,১০ পদ), ত্রিশ টুকরা রূপার জন্য তাঁর প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা (১১:১২,১৩ পদ), আঘাত পাওয়া রাখালের মৃত্যু (১৩:৭ পদ), জৈতুন পাহাড়ের উপরে তাঁর পুনরাগমন (১৪:৪ পদ) এবং মহাপুরোহিত ও রাজা হিসাবে তাঁর রাজত্ব করবার কথা আগেই বলা হয়েছে (১৪:৯ পদ)।

বিষয় সংক্ষেপ:

(ক) অনুতাপ করবার জন্য উপদেশ (১:১-৬ পদ)

(খ) আটটা দর্শন (১:৭-৬:৮ পদ)

(গ) মহাপুরোহিত হিসাবে যিহোশূয়কে মুকুট পরিয়ে দেওয়া (৬:৯-১৫ পদ)

(ঘ) উপবাস চালিয়ে যাওয়া সম্বন্ধে বৈথেলের যিহূদীদের প্রশ্ন (৭ ও ৮ অধ্যায়)

(ঙ) মশীহের প্রথম আগমন সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী (৯-১১ অধ্যায়)

(চ) মশীহের দ্বিতীয় আগমন সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী (১২-১৪ অধ্যায়)